April 2, 2026, 10:54 pm

সংবাদ শিরোনাম
বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে যাত্রীবাহী কোচ ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত ৬ ক্যান্সার প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের বিকল্প নেই পূর্ব শত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে শতাধিক গাছ নষ্টের অভিযোগ এক-এগারোর ছায়া: বন্ধ দরজার ভেতর থেকে উঠে আসা নাম—মাসুদ রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী

রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের পথ খুলে দিক

রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের পথ খুলে দিক
নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক
 
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।
নিউইয়র্কে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের প্রাক্কালে ঢাকায় অবস্থিত নিরাপত্তা পরিষদের নয় সদস্য দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে গত বুধবার বৈঠকে বসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বৈঠকে এ ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সমর্থন চাওয়া হলে তাদের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া দেওয়া হয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫। ঢাকায় ছয়টি দেশের দূতাবাস না থাকায় তাদের এ বৈঠকে ডাকা হয়নি।
বৈঠকে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, চীন ও ফ্রান্স এবং চার অস্থায়ী সদস্য মিসর, ইতালি, জাপান ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতরা যোগ দেন। স্মর্তব্য, বাংলাদেশ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য না হলেও রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আহৃত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ওই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া পাঁচ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যরা ভেটো ক্ষমতার অধিকারী। কোনো প্রস্তাব মনঃপূত না হলে ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন যে কোনো দেশ তা নাকচ করে দিতে পারে। নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ সদস্যের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের অবস্থান বাংলাদেশের পক্ষে। চীন ও রাশিয়া মিয়ানমারের জঙ্গিবাদী তত্পরতা দমনে সে দেশের অবস্থানকে সমর্থন করে।
রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে এ দুই দেশের নমনীয় ভূমিকা বাংলাদেশের জন্য খুবই জরুরি। নিরাপত্তা পরিষদের বিতর্কে মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়াতে সব সদস্য একাট্টা হলে তা রোহিঙ্গাদের সসম্মানে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অবদান রাখবে। চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের যেমন গভীর সম্পর্ক রয়েছে, তেমনি মিয়ানমারের সম্পর্কও ঘনিষ্ঠতর। মিয়ানমারে ওই দুই দেশের বিপুল বিনিয়োগ থাকায় তাদের পক্ষে সরাসরি মিয়ানমারের বিরোধিতা করা সম্ভব নয়। দুই দেশ যাতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভেটো না দেয় তা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ নানামুখী তত্পরতা চালাচ্ছে।   পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে নিরাপত্তা পরিষদভুক্ত দেশগুলোর কূটনীতিকদের আশ্বাসকে এক্ষেত্রে একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর